<< সকল মুসলিম ভাইবোনদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি >>

বিশ্বের সকল মুসলিম ভাইবোনদের প্রতি আমার সালাম রইল। ইসলাম আল্লাহ প্রদত্ত এক মহান ধর্ম। এই ধর্মকে একমাত্র আল্লাহই কেয়ামত পর্যন্ত রক্ষা করবেন এবং সারা বিশ্ব ব্যাপী প্রসারিত করবেন। ইন্টারনেট/ ফেইসবুকের মাধ্যমে সারা দুনিয়ায় কত অসাধ্যকে সম্ভব করা হচ্ছে তার ইয়ত্তা নেই। আমি আমার জন্মস্থান ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া থানার জনবহুল গ্রাম তেলীগ্রামে একটি দৃষ্টি নন্দন মসজিদ এবং রাজনীতিমুক্ত একটি ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করার স্বপ্ন দেখেছি সেই ছোট বেলা থেকেই। আমার এই স্বপ্ন পূরণের জন্য আমি সারা বিশ্বের সকল মুসলিম ভাইদের কাছে সাহায্য প্রার্থনা করছি। আপনারা সকলে যদি সহানুভূতিশীল হয়ে দান করার মানসিকতা নিয়ে এগিয়ে আসেন তাহলে পৃথিবীতে মানবসৃষ্ট শ্রেষ্ট মসজিদও আল্লাহপাকের রহমতে আমরা নির্মান করতে পারবো। দানে বিপদ কাঁটে, দানে সম্মান বাড়ে, দানে সম্পদ বৃদ্ধি পায় আর আখেরাতে উত্তম পুরস্কারতো আছেই। যারা পঞ্চাশ হাজার টাকা বা তার বেশী এককালীন দান করবেন তাঁদের সকলের নাম মসজিদের সামনে বিশেষ গম্বুজে শ্বেত পাথরে খোদাই করে লিখে রাখা হবে। এই মসজিদ আল্লাহপাক যতদিন চালু রাখবেন প্রতি শুক্রবার জুমার নামাজের পর সকল দাতাদের জন্য বিশেষ মোনাজাত করা হবে। যাদের সামর্থ আছে ত‍ারা তাদের সাধ্যমত দান করবেন এবং সকলেই আমার জন্য আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করবেন যেন আমি সততার সাথে আমার স্বপ্নকে পুরন করতে পারি। এই বিষয়ে বিস্তারিত জানানোর জন্য “দানে বিপদ কাঁটে, দানে সম্মান বাড়ে” শিরোনামে একটি আলাদা পেইজ আছে তাতে ক্লিক করুন।

Aug 24, 2010

বিশ্বের সর্ব বৃহৎ ঘড়ি এখন মক্কা নগরীতে

http://img824.imageshack.us/img824/5498/63456.jpg
১লা রমজান ১ হিজরী তারিখে পবিত্র মক্কা নগরীতে  বসানো হয়েছে অভূতপূর্ব এক ঘড়ি। ‘মক্কা ক্লক’ নামের এই ঘড়িটি বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ঘড়ি। এমনকি লন্ডনের বিগবেনের চেয়েও ৫ গুণ বড়।
আর তা দেখা যাবে ৩০ কিলোমিটার দূর থেকেও। সৌদি আরব আশা করছে, চতুর্মুখী এ নতুন ঘড়ি মক্কাকে গ্রিনিচ মান সময়ের বিকল্প সময় প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করবে। সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা এসপিএ’র তথ্যমতে, পবিত্র রমজানের শুরুর দিনেই দুপুর বারোটায় এ ঘড়িটি পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হয়েছে। পবিত্র হেরাম শরীফের ৪০০ মিটার উপরে চতুর্মুখী ওই ঘড়িটির প্রতি পাশে আড়াআড়িভাবে ৪৬ মিটারে (১৫১ ফিট) আধুনিক প্রযুক্তির উজ্জ্বল টাইলস বসানো হয়েছে। এসপিএ জানিয়েছে, সৌদি আরবের সর্বোচ্চ এ ভবনটির উচ্চতা হবে ৬০১ মিটার (১৯৮৩ ফিট)। এর ফলে তাইওয়ানের ৫০৯ মিটার উচু তাইপে ১০১কে ছাড়িয়ে এ ভবনটি বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভবন হিসেবে স্বীকৃতি পাবে। তবে এটি থেকে দুবাইয়ে নির্মিত বিশ্বের সর্বোচ্চ ভবন বুর্জ খলিফা (৮২৮ মিটার)’র উচ্চতা অনেক বেশি। ২৫০ জন উচ্চ প্রশিক্ষিত মুসলিম কর্মী ঘড়িটির ফ্রেমের কাজ করেছেন। লন্ডনের বিখ্যাত বিগবেন ঘড়ির ব্যাসের চেয়ে এ ঘড়িটির ব্যাস ছয়গুণ বড়। এর সামনে আরবি হরফে লেখা থাকবে ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম’। এর নিচে স্থাপন করা হয়েছে ২০ লাখ উজ্জ্বল আলোর বাতি। ঘড়িটির উপরের দিকে স্থাপন করা হয়েছে ২১০০০ সাদা ও সবুজ রঙের বাতি। প্রতিদিন পাঁচ বার নামাজের সময় সঙ্কেত দিতে এটি জ্বালানো হলে ৩০ কিলোমিটার দূর থেকে তা দেখা যাবে। মুসলমানদের বিশেষ দিনগুলোতে লম্বালম্বিভাবে স্থাপিত ১৬টি লাইট আকাশের দিকে ১০ কিলোমিটার উঁচুতে আলো নিক্ষেপ করবে। সারা বিশ্বের মুসলমানদের নতুন একটি সময় উপহার দেয়ার জন্য মক্কার সর্বোচ্চ ভবন আবরাজ আল-বাইত কমপ্লেক্সে স্থাপন করা হচ্ছে এটি। এর আলোর রোশনাই জানান দেবে নামাজের সময়।
এ বিশেষ ঘড়ি সম্পর্কে মক্কার একজন বাসিন্দা বলেছেন, পর্যাপ্ত তথ্য এখনও প্রকাশ না করা হলেও সবাই এখন এ ঘড়িটির ক্যারিশমা দেখতে উদগ্রীব। আবরাজ আল-বাইত কমপ্লেক্সের নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এ ঘড়ির বিষয়ে সব কিছু গোপন রাখছে।
http://img404.imageshack.us/img404/9077/63466.jpg
http://img185.imageshack.us/img185/5171/63465.jpghttp://img820.imageshack.us/img820/9958/63463.jpghttp://img155.imageshack.us/img155/7049/63459.jpg
http://img714.imageshack.us/img714/5272/63455.jpg
দূর থেকে ঘড়ির একটি অংশ


No comments: