মুফতী মুফীযুর রাহমান কাসেমী
বছর ঘুরে প্রতিবারের ন্যায় এবারও মুমিনের জীবনে উঁকি দিয়েছে পবিত্র মাহে রমজান। রহমত, মাগফিরাত ও নাজাত এই তিনটির যথাযথ মূল্যায়নের মাধ্যমে মহান প্রভুর সানি্নধ্য লাভের এক অপূর্ব সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।
মহানবী (সা.) রমজানের আগে শুক্রবার দিন সাহাবায়ে কেরামদেরকে লক্ষ্য করে রমজানের গুরুত্ব ও তাৎপর্য সম্পর্কে মূল্যবান নসিহতমূলক খুতবা দিতেন। সেই খুতবাই সাহাবায়ে কেরামের জন্য রমজানুল মুবারকের যথাযথ মূল্যায়নের খোরাক হতো। হাদিস শরীফে এসেছে হজরত সালমান ফারসী (রা.) বলেন! রাসূল (সা.) শাবান মাসের শেষ তারিখে আমাদেরকে নসিহতমূলক খুতবা দিতে গিয়ে বললেন, 'হে লোক সকল তোমাদের উপর এমন একটি মাস এসেছে যা অত্যন্ত মর্যাদাশীল এবং বরকতময়। এ মাসে (শবে কদর) এমন একটি রাত রয়েছে যা হাজারো মাস হতে উত্তম।
আল্লাহপাক এ মাসে রোজা রাখাকে ফরজ করেছেন এবং এ মাসের রাতগুলোতে নামাজ অর্থাৎ তারাবি পড়াকে সওয়াবের কাজ বানিয়েছেন। যে ব্যক্তি আল্লাহপাকের নৈকট্যলাভের জন্য এ মাসে কোনো একটি নফল ইবাদত করলো সে যেন অন্য মাসে একটি ফরজ আদায়ের সওয়াব পেল। আর যে এই মাসে একটি ফরজ আদায় করলো সে যেন অন্য মাসে সত্তরটি ফরজ আদায়ের সমান সওয়াব লাভ করলো। এ মাসটি হলো ছবরের মাস এবং ছবরের বিনিময় হিসাবে মহান আল্লাহপাক জান্নাত রেখেছেন। এ মাসটি মানুষের সঙ্গে সহানুভূতির মাস। এ মাসে মুমিনের রিজিক বাড়িয়ে দেওয়া হয়। যে ব্যক্তি কোনো রোজাদারকে ইফতার করাল তা তার জন্য গোনাহ মাফ এবং জাহান্নাম থেকে মুক্তির কারণ হয়ে দাঁড়াবে এবং সে রোজাদারের সমান সওয়াবের ভাগী হবে। কিন্তু এতে করে ওই রোজাদারের সওয়াব কোনো প্রকারেই কমানো হবে না।
সাহাবায়ে কেরাম আরজ করিলেন, 'হে আল্লাহ রাসূল আমাদের কেউ-ই তো রোজাদারকে ইফতার করানোর মতো সামর্থ রাখে না। রাসূল (সা.) বললেন, এই সওয়াব তো আল্লাহপাক একটি খেজুর খাওয়াইলে কিংবা এক ঢোক পানি অথবা এক চুমুক দুধ পান করালেই দান করবেন। এটা এমন এক মাস যে এর শুরু ভাগে আল্লাহর রহমত নাজিল হয়। মধ্যের অংশে গোনাহ মাফ করা হয় এবং শেষ অংশে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেওয়া হয়। যে ব্যক্তি এ মাস আপন গোলামের (কর্মচারীর) বোঝা হালকা করে দেয় আল্লাহপাক তাকে মাফ করে দিবেন। এবং জাহান্নামের আগুন থেকে তাকে মুক্তিদান করবেন। এই মাসে চারটি কাজ করতে থাক। যথা : (১) অধিকহারে কালিমায়ে তাইয়্যিবা পড়তে থাক (২) ইসতিগফার করতে থাক। (৩) আল্লাহপাকের নিকট জান্নাত লাভে দোয়া (৪) এবং জাহান্নাম থেকে মুক্তির দোয়া করতে থাক। (ইবনে হিব্বান)।
আল্লাহপাক আমাদেরকে আমল করার তওফিক দান করুন (আমিন)।
লেখক : খতিব, বাইতুল আমান জামে মসজিদ সাভার, ঢাকা।
আল্লাহপাক এ মাসে রোজা রাখাকে ফরজ করেছেন এবং এ মাসের রাতগুলোতে নামাজ অর্থাৎ তারাবি পড়াকে সওয়াবের কাজ বানিয়েছেন। যে ব্যক্তি আল্লাহপাকের নৈকট্যলাভের জন্য এ মাসে কোনো একটি নফল ইবাদত করলো সে যেন অন্য মাসে একটি ফরজ আদায়ের সওয়াব পেল। আর যে এই মাসে একটি ফরজ আদায় করলো সে যেন অন্য মাসে সত্তরটি ফরজ আদায়ের সমান সওয়াব লাভ করলো। এ মাসটি হলো ছবরের মাস এবং ছবরের বিনিময় হিসাবে মহান আল্লাহপাক জান্নাত রেখেছেন। এ মাসটি মানুষের সঙ্গে সহানুভূতির মাস। এ মাসে মুমিনের রিজিক বাড়িয়ে দেওয়া হয়। যে ব্যক্তি কোনো রোজাদারকে ইফতার করাল তা তার জন্য গোনাহ মাফ এবং জাহান্নাম থেকে মুক্তির কারণ হয়ে দাঁড়াবে এবং সে রোজাদারের সমান সওয়াবের ভাগী হবে। কিন্তু এতে করে ওই রোজাদারের সওয়াব কোনো প্রকারেই কমানো হবে না।
সাহাবায়ে কেরাম আরজ করিলেন, 'হে আল্লাহ রাসূল আমাদের কেউ-ই তো রোজাদারকে ইফতার করানোর মতো সামর্থ রাখে না। রাসূল (সা.) বললেন, এই সওয়াব তো আল্লাহপাক একটি খেজুর খাওয়াইলে কিংবা এক ঢোক পানি অথবা এক চুমুক দুধ পান করালেই দান করবেন। এটা এমন এক মাস যে এর শুরু ভাগে আল্লাহর রহমত নাজিল হয়। মধ্যের অংশে গোনাহ মাফ করা হয় এবং শেষ অংশে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেওয়া হয়। যে ব্যক্তি এ মাস আপন গোলামের (কর্মচারীর) বোঝা হালকা করে দেয় আল্লাহপাক তাকে মাফ করে দিবেন। এবং জাহান্নামের আগুন থেকে তাকে মুক্তিদান করবেন। এই মাসে চারটি কাজ করতে থাক। যথা : (১) অধিকহারে কালিমায়ে তাইয়্যিবা পড়তে থাক (২) ইসতিগফার করতে থাক। (৩) আল্লাহপাকের নিকট জান্নাত লাভে দোয়া (৪) এবং জাহান্নাম থেকে মুক্তির দোয়া করতে থাক। (ইবনে হিব্বান)।
আল্লাহপাক আমাদেরকে আমল করার তওফিক দান করুন (আমিন)।
লেখক : খতিব, বাইতুল আমান জামে মসজিদ সাভার, ঢাকা।
No comments:
Post a Comment