মাওলানা মোহাম্মদ আবুল হোসাইন পাটওয়ারী
হে মুমিনগণ! তোমাদের ওপরে মাহে রমজানের সিয়াম সাধনা ফরজ করা হয়েছে। যেমন ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তী নবী-রাসূলগণের উম্মতদের প্রতি, যেন তোমরা তাকওয়া অর্জনের মাধ্যমে মুত্তাকী হতে পার।
মহাপবিত্র মাহে রমজানের সিয়াম সাধনার গুরুত্ব, তাৎপর্য, মহত্ব ও ফজিলত অপরিসীম। যা মহাগ্রন্থ আল কোরান আল্লাহ নিজেই ঘোষণা করেছেন, আল্লাহ বলেন, এ সিয়াম পালনের সময় তোমাদের মধ্যে যদি কেউ কোনো সমস্যায় পড়ে তা পালন করতে ব্যর্থ হয় তবে তা অন্য সময় আদায় করে নিতে হবে। আর যাদের দ্বারা রোজা পালন করা অতি কষ্টদায়ক বলে মনে হয়, তারা রোজার পরিবর্তে ফিদিয়া যা অভাবীদেরকে অন্নদান করতে হয়। আর যদি কেউ খুশি মনে উত্তম কাজ করে তা তার জন্য অধিক কল্যাণকর, তবে সিয়াম পালন করাটাই হচ্ছে অধিক উত্তম, আল-কোরান।
মাহে রমজানুল মোবারক এমন একটি মাস যে মাসে হক ও বাতিলের পার্থক্যকারী এবং মানব সমাজের হেদায়েতের পথ নির্দেশক হিসেবে নাজিল করা হয়েছে মহাগ্রন্থ আল-কোরান। কাজেই তোমাদের মধ্যে যারা এ মাসটি পাবে, সে যেন সিয়াম পালন করে। আর যারা অসুস্থ অথবা সফরে থাকবে তারা পরে তা পূরণ করে নিবে। আরব দেশে একমাস রোজা ফরজ হওয়ার পূর্বে মুহররম মাসের আশুরার রোজা ফরজ ছিল। মহানবী হজরত মুহম্মদ (সা.) মক্কা থেকে মদিনায় হিজরত করার পর দ্বিতীয় হিজরি বর্ষে ৬২৪ খ্রি. রমজানুল মুবারক ফরজ করা হয়। রমজানের রোজা ফরজ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আশুরার রোজা নফল হয়ে যায়।
মাহে রমজানে মহাগ্রন্থ আল-কোরান নাজিল হওয়ার কারণে এ মাসের সিয়াম সাধনা তাকওয়া অর্জন ও আত্দশুদ্ধির মাস হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে। সেই কালামে পাক আরশ আযিমের লওহে মাহফুজে সুরক্ষিত ও সংরক্ষিত আছে। যা নাজিল হয়েছে ২৭ রমজান লাইলাতুল কদর রজনীতে। লাইলাতুল কদর রজনীতে সর্বপ্রথম ওই রাতে কোরান মজিদ প্রথম আকাশে একসঙ্গে নাজিল হয়। যা পরবর্তীতে সুদীর্ঘ ২৩ বছর ধরে প্রয়োজন ও বিভিন্ন ঘটনা প্রসঙ্গে নাজিল হয়ে থাকে।
ইসলামী শরীয়তে সিয়াম সাধনা তথা রোজা পালনের যে বিধান রয়েছে তাতে আত্দসংযম আত্দ-উন্নয়ন, আত্দশুদ্ধি সহানুভূতি, সহমর্মিতা, ধৈর্যশীলতা, বিনয়ী হওয়া ইত্যাদি প্রশিক্ষণ প্রদান করে। সিয়াম পালন করা ফরজ এ জন্য যে সিয়াম পালনের মাধ্যমে বান্দা তাকওয়া অর্জনে সহায়ক ভূমিকা পালন করে থাকে। ইসলাম হচ্ছে আল্লাহ প্রদত্ত একমাত্র পূর্ণাঙ্গ জীবন বিধান যাকে ইংরেজি ভাষায় কমপ্লিট কোড অব লাইফ বলা হয়। ইসলামী জীবন ব্যবস্থায় একটি মানুষকে পরিপূর্ণ মানুষরূপে উজ্জীবিত করে গড়ে তোলে, ইসলামী জীবন ব্যবস্থা ধারণ করেই প্রতিটি মানুষ আল্লাহ মনোনীত বান্দা হিসেবে উন্নীত হতে পারে।
মহাপবিত্র মাহে রমজানের সিয়াম সাধনার গুরুত্ব, তাৎপর্য, মহত্ব ও ফজিলত অপরিসীম। যা মহাগ্রন্থ আল কোরান আল্লাহ নিজেই ঘোষণা করেছেন, আল্লাহ বলেন, এ সিয়াম পালনের সময় তোমাদের মধ্যে যদি কেউ কোনো সমস্যায় পড়ে তা পালন করতে ব্যর্থ হয় তবে তা অন্য সময় আদায় করে নিতে হবে। আর যাদের দ্বারা রোজা পালন করা অতি কষ্টদায়ক বলে মনে হয়, তারা রোজার পরিবর্তে ফিদিয়া যা অভাবীদেরকে অন্নদান করতে হয়। আর যদি কেউ খুশি মনে উত্তম কাজ করে তা তার জন্য অধিক কল্যাণকর, তবে সিয়াম পালন করাটাই হচ্ছে অধিক উত্তম, আল-কোরান।
মাহে রমজানুল মোবারক এমন একটি মাস যে মাসে হক ও বাতিলের পার্থক্যকারী এবং মানব সমাজের হেদায়েতের পথ নির্দেশক হিসেবে নাজিল করা হয়েছে মহাগ্রন্থ আল-কোরান। কাজেই তোমাদের মধ্যে যারা এ মাসটি পাবে, সে যেন সিয়াম পালন করে। আর যারা অসুস্থ অথবা সফরে থাকবে তারা পরে তা পূরণ করে নিবে। আরব দেশে একমাস রোজা ফরজ হওয়ার পূর্বে মুহররম মাসের আশুরার রোজা ফরজ ছিল। মহানবী হজরত মুহম্মদ (সা.) মক্কা থেকে মদিনায় হিজরত করার পর দ্বিতীয় হিজরি বর্ষে ৬২৪ খ্রি. রমজানুল মুবারক ফরজ করা হয়। রমজানের রোজা ফরজ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আশুরার রোজা নফল হয়ে যায়।
মাহে রমজানে মহাগ্রন্থ আল-কোরান নাজিল হওয়ার কারণে এ মাসের সিয়াম সাধনা তাকওয়া অর্জন ও আত্দশুদ্ধির মাস হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে। সেই কালামে পাক আরশ আযিমের লওহে মাহফুজে সুরক্ষিত ও সংরক্ষিত আছে। যা নাজিল হয়েছে ২৭ রমজান লাইলাতুল কদর রজনীতে। লাইলাতুল কদর রজনীতে সর্বপ্রথম ওই রাতে কোরান মজিদ প্রথম আকাশে একসঙ্গে নাজিল হয়। যা পরবর্তীতে সুদীর্ঘ ২৩ বছর ধরে প্রয়োজন ও বিভিন্ন ঘটনা প্রসঙ্গে নাজিল হয়ে থাকে।
ইসলামী শরীয়তে সিয়াম সাধনা তথা রোজা পালনের যে বিধান রয়েছে তাতে আত্দসংযম আত্দ-উন্নয়ন, আত্দশুদ্ধি সহানুভূতি, সহমর্মিতা, ধৈর্যশীলতা, বিনয়ী হওয়া ইত্যাদি প্রশিক্ষণ প্রদান করে। সিয়াম পালন করা ফরজ এ জন্য যে সিয়াম পালনের মাধ্যমে বান্দা তাকওয়া অর্জনে সহায়ক ভূমিকা পালন করে থাকে। ইসলাম হচ্ছে আল্লাহ প্রদত্ত একমাত্র পূর্ণাঙ্গ জীবন বিধান যাকে ইংরেজি ভাষায় কমপ্লিট কোড অব লাইফ বলা হয়। ইসলামী জীবন ব্যবস্থায় একটি মানুষকে পরিপূর্ণ মানুষরূপে উজ্জীবিত করে গড়ে তোলে, ইসলামী জীবন ব্যবস্থা ধারণ করেই প্রতিটি মানুষ আল্লাহ মনোনীত বান্দা হিসেবে উন্নীত হতে পারে।
আল-কোরান।
No comments:
Post a Comment