<< সকল মুসলিম ভাইবোনদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি >>

বিশ্বের সকল মুসলিম ভাইবোনদের প্রতি আমার সালাম রইল। ইসলাম আল্লাহ প্রদত্ত এক মহান ধর্ম। এই ধর্মকে একমাত্র আল্লাহই কেয়ামত পর্যন্ত রক্ষা করবেন এবং সারা বিশ্ব ব্যাপী প্রসারিত করবেন। ইন্টারনেট/ ফেইসবুকের মাধ্যমে সারা দুনিয়ায় কত অসাধ্যকে সম্ভব করা হচ্ছে তার ইয়ত্তা নেই। আমি আমার জন্মস্থান ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া থানার জনবহুল গ্রাম তেলীগ্রামে একটি দৃষ্টি নন্দন মসজিদ এবং রাজনীতিমুক্ত একটি ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করার স্বপ্ন দেখেছি সেই ছোট বেলা থেকেই। আমার এই স্বপ্ন পূরণের জন্য আমি সারা বিশ্বের সকল মুসলিম ভাইদের কাছে সাহায্য প্রার্থনা করছি। আপনারা সকলে যদি সহানুভূতিশীল হয়ে দান করার মানসিকতা নিয়ে এগিয়ে আসেন তাহলে পৃথিবীতে মানবসৃষ্ট শ্রেষ্ট মসজিদও আল্লাহপাকের রহমতে আমরা নির্মান করতে পারবো। দানে বিপদ কাঁটে, দানে সম্মান বাড়ে, দানে সম্পদ বৃদ্ধি পায় আর আখেরাতে উত্তম পুরস্কারতো আছেই। যারা পঞ্চাশ হাজার টাকা বা তার বেশী এককালীন দান করবেন তাঁদের সকলের নাম মসজিদের সামনে বিশেষ গম্বুজে শ্বেত পাথরে খোদাই করে লিখে রাখা হবে। এই মসজিদ আল্লাহপাক যতদিন চালু রাখবেন প্রতি শুক্রবার জুমার নামাজের পর সকল দাতাদের জন্য বিশেষ মোনাজাত করা হবে। যাদের সামর্থ আছে ত‍ারা তাদের সাধ্যমত দান করবেন এবং সকলেই আমার জন্য আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করবেন যেন আমি সততার সাথে আমার স্বপ্নকে পুরন করতে পারি। এই বিষয়ে বিস্তারিত জানানোর জন্য “দানে বিপদ কাঁটে, দানে সম্মান বাড়ে” শিরোনামে একটি আলাদা পেইজ আছে তাতে ক্লিক করুন।

Sep 21, 2010

বাংলা সাহিত্যের আলোচিত পঙতি ও স্রষ্টা


>> অভাগা যদ্যপি চায় সাগর শুকায়ে যায়’- এ প্রবাদটির রচয়িতা কে?
উঃ মুকুন্দরাম

>> ‘‘হে বঙ্গ, ভান্ডারে তব বিবিধ রতন তা সবে, (অবোধ আমি) অবহেলা করি, পর ধন লোভে মত্ত করিনু ভ্রমনএই কবিতাংশটুকু কোন কবি কে??
উঃ মধুসূদন দত্ত

>> আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে’ – উক্তি কোন গ্রন্থের?
উঃ অন্নদামঙ্গল কাব্যের

>> যে জন দিবসে মনের হরষে জালায় মোমের বাতিএপংতির রচয়িতা কে?
উঃ কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার

>> পাখি সব করে রব রাতি পোহাইল”- কার লেখা?
উঃ মদনমোহন তর্কালঙ্কারের

>> সাত কোটি সন্তানের হে মুগ্ধ জননী, রেখেছ বাঙালী করে মানুষ করনি’ -কোন কবির উক্তি
উঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

>> স্বাধীনতা হীনতায় কে বাঁচিতে চায় হে’- কার রচয়িতার অংশ
উঃ রঙ্গলাল মুখপাধ্যায়

>> চিরসুখী জন ভ্রমে কি কখন ব্যথিত বেদন বুঝিতে পারে?” কার রচনা?  
উঃ কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার

>> তোমাদের পানে চাহিয়া বন্ধু আর আমি জাগিব না কোলাহল করি সারা দিনমান কারো ধ্যান ভাঙিব না’- নজরুলের কোন কবিতার অংশ?
উঃ বাতায়ন পাশে গুবাক তরুর সারি

>> কোথায় স্বর্গ কোথায় নরক’- পংক্তির রচয়িতা?
উঃ ফজলূল করিম

>> যুদ্ধ মানে শত্রু শত্রু খেলা, যুদ্ধ মানেই আমার প্রতি তোমার অবহেলা’- কার কবিতার অংশ?
উঃ নির্মলেন্দু গুন

>> আমার দেশের পথের ধুলা খাটি সোনার চাইতে খাঁটিকার রচনা
উঃ সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত

>> আসাদের শার্ট আজ আমাদের প্রানের পতাকা’-পংক্তি কার
উঃ শামসুর রাহমান

>> বিপদে মোরে রক্ষা কর এ নহে মোর প্রার্থনা  বিপদে আমি না যেন করি ভয়উপরোক্ত অংশটি রবীন্দ্রনাথের কোন কবিতার?
উঃ দুরন্ত আশা

>> রক্ত ঝরাতে পারি না তো একা, তাই লিখে যাই এ  রক্ত লেখা’- পংক্তিটি কার রচিত?
উঃ কাজী নজরুল ইসলাম

>> বাংলার মুখ আমি দেখিয়াছি, তাই আমি পৃথিবীর রূপ দেখিতে চাই না আর’- কোন কবির রচনা
উঃ জীবনানন্দ দাশের

>> বাঁশ বাগানের মাথার উপর চাঁদ উঠেছে ঐ’ – পংক্তির রচয়িতা কে?
উঃ যতীন্দ্রমোহন বাগচী

>> ক্ষুধার রাজ্য পৃথিবী গদ্যময় পূর্ণিমার চাঁদ যেন ঝলসানো রুটি’- পংক্তি কোন কবির?
উঃ সুকান্ত ভট্টাচার্য

>> মন্ত্রের সাধন কিংবা শরীর পাতন’- উক্তি কার?
উঃ ভারতচন্দ্রের

>> ‘‘প্রীতি ও প্রেমের পূন্য বাধনে যবে মিলি পরস্পরে, স্বর্গে আসিয়া দাঁড়ায় তখন আমাদেরি কুঁড়ে ঘরে
উঃ স্বর্গ ও নরকশেখ ফজলূল করিম

>> ‘‘জন্মেছি মাগো তোমার কোলেতে মরি যেন এই দেশে”- কবিতাংশটি কোন কবিতার এবং এর কবি কে
উঃ জন্মেছি এই দেশেসুফিয়া কামাল

>> ‘‘কত গ্রাম কত পথ যায় সরে সরে, শহরে রানার যাবেই পৌঁছে ভোরে”  পংক্তি দুটি কোন কবিতার এবং এর কবি কে?
উঃ রানারসুকান্ত ভট্টাচার্য

>> ‘‘আমি থাকি মহাসুখে অট্টালিকা পরে তুমি কত কষ্ট পাও রোদ, বৃষ্টি, ঝড়ে”  – কবিতাংশটি কোন কবিতার এবং কার রচনা?
উঃ স্বাধীনতার সুখরজনীকান্ত সেন

>> ‘‘সংসারেতে ঘটিলে ক্ষতি লভিলে শুধু বঞ্চনা নিজের মনে না যেন মানি ক্ষয়”-  কবিতাংশটি কোন কবিতার এবং কার রচনা?
উঃ আত্মত্রানরবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

>> ‘‘মহাজ্ঞানী মহাজন, যে পথে করে গমন হয়েছেন প্রাতঃস্মরনীয়”- উক্তি কোন কবিতার এবং কার রচনা?
উঃ জীবন- সঙ্গীত’, হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

>> ‘‘সকলের তরে সকলে আমরা প্রত্যেকে মোরা পরের তরে”- কবিতাংশটি কোন কবিতার এবং কে রচনা করেন?
উঃ সুখকামিনী রায়

>> ‘‘আবার আসিব ফিরে ধানসিঁড়িটির তীরে এই বাংলায় হয়তো মানুষ নয় হয়তো বা শঙ্খচিল শালিকের বেশে”- কোন কবির রচনা?
উঃ আবার আসিব ফিরেজীবনানন্দ দাশ

>> ‘‘হাজার বছর ধরে আমি পথ হাঁটিতেছে পৃথিবীর পথে সিংহল সমুদ্র থেকে নিশীদের অন্ধকারে মালয় সাগরে”- এই উক্তিটি কার?
উঃ বনলতা সেনজীবনানন্দ দাশ

>> ‘‘সব পাখি ঘরে আসে সব নদী ফুরায় এ জীবনের সব লেন দেন; থাকে শুধু অন্ধকার”- এই উক্তিটি কার?
উঃ বনলতা সেনজীবনানন্দ দাশ

>> ‘‘আমি যদি হতাম বনহংস বনহংসী হতে যদি তুমি”- কোন কবির রচনা?
উঃ আমি যদি হতামজীবনানন্দের দাস

>> শোনা গেল লাশ কাটা ঘরে নিয়ে গেছে তারে; কাল রাতে ফাণ্ডুন রাতের চাঁদ মরিবার হলো তার সাধ”- উদ্ধৃত অংশটুকু কার রচনা?
উঃ জীবনানন্দ দাশের

>> ‘‘সুরঞ্জনা, ঐখানে যেয়ো না তুমি বোলো নাকো কথা ওই যুবকের সাথে,”- উদ্ধৃত অংশটুকুর কবি কে?
উঃ সুরঞ্জনাজীবনানন্দ দাশ

>> ‘‘হে সূর্য! শীতের সূর্য! হিমশীতল সুদীর্ঘ রাত তোমার প্রতীক্ষায় আমরা থাকি,”- কোন কবির রচনা?
উঃ সুকান্ত ভট্টাচার্য

>> অবাক পৃথিবী অবাক করলে তুমি, জন্মেই দেখি ক্ষদ্ধ স্বদেশ ভূমিকোন কবির রচনা?
উঃ সুকান্ত ভট্টাচার্য

>> রানার ছুটেছে তাই ঝুমঝুম ঘন্টা রাজছে রাতে রানার চলেছে খবরের বোঝা হাতে”- কোন কবিতার অংশবিশেষ?
উঃ সুকান্ত ভট্টাচার্যের রানার

>> হিমালয় থেকে সুন্দরবন, হঠা বাংলাদেশ কেঁপে কেঁপে ওঠে পদ্মার উচ্ছাসে,” – রচয়িতা কে?
উঃ সুকান্ত ভট্টাচার্য

>> হে মহা জীবন, আর এ কাব্য নয়, এবার কঠিন, কঠোর গদ্য আনোরচয়িতা কে?
উঃ মহাজীবনসুকান্ত ভট্টাচার্য

>> ‘‘কেউ কথা রাখেনি, তেত্রিশ বছর কাটলো, কেউ কথা রাখে নি”- চরনটির কবি কে?
উঃ কবি সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

>> ‘‘আজি হতে শত বর্ষে পরে কে তুমি পড়িছ, বসি আমার কবিতাটিখানি কৌতূহল ভরে,”- রচয়িতার নাম কি?
উঃ ১৪০০ সালরবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

>> ‘‘আজি হতে শত বর্ষে আগে, কে কবি, স্মরণ তুমি করেছিলে আমাদের শত অনুরাগে’ – রচয়িতার নাম কি?
উঃ ১৪০০ সালকাজী নজরুল ইসলাম

>> মহা নগরীতে এল বিবর্ন দিন, তারপর আলকাতরার মত রাত্রীরচয়িতার নাম কি?
উঃ কবি সমর সেন

>> ‘‘আমি কিংবদন্তীর কথা বলছিআমি আমার পূর্ব পুরুষের কথা বলছিএই কবিতাংশটুকুর কবি কে?
উঃ আবু জাফর ওবায়দুল্লাহউঃ আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ

>> ঠাঁই নাই, ঠাঁই নাই, ছোটো এ তরী, আমারী সোনার ধানে গিয়েছে ভরি’ -চরনটির কবি কে?
উঃ সোনার তরীরবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

>> ‘‘এখন যৌবন যার মিছিলে যাবার সময় তার শ্রেষ্ঠ সময় এখন যৌবন যার যুদ্ধে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়”- এই অংশটুকুর রচয়িতা কে?
উঃ হেলাল হাফিজ

>> জন্মেই কুঁকড়ে গেছি মাতৃজরায়ন থেকে নেমে, সোনালী পিচ্ছিল পেট আমাকে উগড়ে দিলো যেনএই কবিতাংশটুকুর কবি কে?
উঃ শহীদ কাদরী

>> ‘‘জন্মই আমার আজন্ম পাপ, মাতৃজরায়ু থেকে নেমেই জেনেছি আমি”- এই কবিতাংশটুকুর রচয়িতা কে?
উঃ দাউদ হায়দার

>> মোদের গরব মোদের আশা, আ মরি বাংলা ভাষাচরনটির কবি কে?
উঃ অতুল প্রসাদ সেন

>> স্মৃতির মিনার ভেঙ্গেছে তোমার? ভয়কি কি বন্ধু, আমরা এখনোচরনটির রচয়িতা কে?
উঃ আলাউদ্দিন আল আজাদ

>> ‘‘আজো আমি বাতাসে লাশের গন্ধ পাই, আজো আমি মাটিতে মৃত্যুর নগ্ননৃত্য দেখি,”  চরনটির রচয়িতা কে?
উঃ রুদ্র মোঃ শহীদুল্লাহ

>> ‘‘বহু দেশ দেখিয়াছি বহু নদ-নলে কিন্তু এ ্লেহের তৃঞ্চা মিটে কার জলে?”- চরনটির রচয়িতা কে?
উঃ মধুসূদন দত্ত

>> ‘‘আমার এ ঘর ভাঙিয়াছে যেবা, আমি বাঁিধ তার ঘর, আপন করিতে কাঁদিয়া বেড়াই যে মোরে করেছে পর”- চরনটির রচয়িতা কে?
উঃ জসীম উদ্দিন

>> ‘‘যে শিশু ভুমিষ্ঠ হল আজ রাত্রে তার মুখে খবর পেলুমঃ সে পেয়েছে ছাড়পত্র এক,”- চরনটির রচয়িতা কে?
উঃ ছাড়পত্রসুকান্ত ভট্টাচার্য

>> ‘‘আপনাদের সবার জন্য এই উদার আমন্ত্রন ছবির মতো এই দেশে একবার বেড়িয়ে যানচরনটির রচয়িতা কে?
উঃ আবু হেনা মোস্তাফা কামাল

>> তুমি আসবে বলে হে স্বাধীনতা সকিনা বিবির কপালে ভাঙলো, সিথির সিদুঁর মুছে গেল হরিদাসীর” -চরনটির রচয়িতা কে?
উঃ শামসুর রাহমান

>> ‘‘জনতার সংগ্রাম চলবেইআমাদের সংগ্রাম চলবেই”  হতমানে অপমানে নয়, সুখ সম্মানেচরনটির রচয়িতা কে?
উঃ সিকান্দার আবু জাফর

>> ওই দূর বনে সন্ধ্যা নামিছে ঘন আবীরের রাগে  অমনি করিয়া লুটায়ে পড়িতে বড় সাধ আজ জাগে”- চরনটির রচয়িতা কে?
উঃ জসীমউদ্দীন

>> তাল সোনাপুরের তালেব মাস্টার আমি, আজ থেকে আরম্ভ করে চল্লিশ বছর দিবসযামীরচয়িতা কে?
উঃ আশরাফ ছিদ্দিকী

>> সই, কেমনে ধরিব হিয়া আমার বধুয়া আন বাড়ি যায় আমার আঙিনা দিয়ারচয়িতা কে?
উঃ চন্ডিদাস

>> রূপলাগি অখিঁ ঝুরে মন ভোর প্রতি অঙ্গ লাগি কান্দে প্রতি অঙ্গ মোররচয়িতা কে?
উঃ জ্ঞানদাস

>> ‘‘কুহেলী ভেদিয়া জড়তা টুটিয়া এসেছে বসন্তরাজ”- চরনগুলির রচয়িতা কে?
উঃ কবি সৈয়দ এমদাদ আলী

No comments: