<< সকল মুসলিম ভাইবোনদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি >>

বিশ্বের সকল মুসলিম ভাইবোনদের প্রতি আমার সালাম রইল। ইসলাম আল্লাহ প্রদত্ত এক মহান ধর্ম। এই ধর্মকে একমাত্র আল্লাহই কেয়ামত পর্যন্ত রক্ষা করবেন এবং সারা বিশ্ব ব্যাপী প্রসারিত করবেন। ইন্টারনেট/ ফেইসবুকের মাধ্যমে সারা দুনিয়ায় কত অসাধ্যকে সম্ভব করা হচ্ছে তার ইয়ত্তা নেই। আমি আমার জন্মস্থান ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া থানার জনবহুল গ্রাম তেলীগ্রামে একটি দৃষ্টি নন্দন মসজিদ এবং রাজনীতিমুক্ত একটি ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করার স্বপ্ন দেখেছি সেই ছোট বেলা থেকেই। আমার এই স্বপ্ন পূরণের জন্য আমি সারা বিশ্বের সকল মুসলিম ভাইদের কাছে সাহায্য প্রার্থনা করছি। আপনারা সকলে যদি সহানুভূতিশীল হয়ে দান করার মানসিকতা নিয়ে এগিয়ে আসেন তাহলে পৃথিবীতে মানবসৃষ্ট শ্রেষ্ট মসজিদও আল্লাহপাকের রহমতে আমরা নির্মান করতে পারবো। দানে বিপদ কাঁটে, দানে সম্মান বাড়ে, দানে সম্পদ বৃদ্ধি পায় আর আখেরাতে উত্তম পুরস্কারতো আছেই। যারা পঞ্চাশ হাজার টাকা বা তার বেশী এককালীন দান করবেন তাঁদের সকলের নাম মসজিদের সামনে বিশেষ গম্বুজে শ্বেত পাথরে খোদাই করে লিখে রাখা হবে। এই মসজিদ আল্লাহপাক যতদিন চালু রাখবেন প্রতি শুক্রবার জুমার নামাজের পর সকল দাতাদের জন্য বিশেষ মোনাজাত করা হবে। যাদের সামর্থ আছে ত‍ারা তাদের সাধ্যমত দান করবেন এবং সকলেই আমার জন্য আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করবেন যেন আমি সততার সাথে আমার স্বপ্নকে পুরন করতে পারি। এই বিষয়ে বিস্তারিত জানানোর জন্য “দানে বিপদ কাঁটে, দানে সম্মান বাড়ে” শিরোনামে একটি আলাদা পেইজ আছে তাতে ক্লিক করুন।

Apr 19, 2011

আরো অনেক নবী ছিলেন যাঁরা যুদ্ধ করেছেন সাধক সহচরদের নিয়ে

অনুবাদ১৪৫. কোনো ব্যক্তিই মৃত্যুবরণ করবে না আল্লাহর অনুমতি ছাড়া; এর জন্য সময় নির্ধারণ করে রাখা হয়েছে। যে ব্যক্তি পার্থিব ফল প্রত্যাশা করে, আমি তাকে তা-ই দিই। আর যে ব্যক্তি পরকালের ফল প্রত্যাশা করে, আমি তাকে তা-ই দিই। আমি অতি সত্বর কৃতজ্ঞদের প্রতিদান দেব।
১৪৬. আরো অনেক নবীই ছিল, যারা যুদ্ধ করেছে; তাদের সঙ্গে অনেক সাধক ব্যক্তিও ছিল। আল্লাহর পথে তাদের ওপর যত বিপদাপদই এসেছে, তাতে তারা হতাশ হয়ে পড়েনি, দুর্বল হয়নি এবং মাথাও নত করেনি। এ ধরনের ধৈর্যশীল ব্যক্তিকেই আল্লাহ ভালোবাসেন।
১৪৭. তাদের মুখে অন্য কোনো কথা ছিল না। বরং তারা বলছিল, হে আমাদের প্রভু, তুমি আমাদের যাবতীয় গুনাহ মাফ করে দাও। আমাদের কাজকর্মে যেসব বাড়াবাড়ি হয়েছে, সেগুলোও ক্ষমা করো। তুমি আমাদের সত্য ও ন্যায়ের ওপর সুদৃঢ় রাখো এবং কাফিরদের বিরুদ্ধে সংগ্রামে আমাদের সাহায্য করো।[সুরা : আলে ইমরান, আয়াত : ১৪৫-১৪৭]  ব্যাখ্যাউলি্লখিত আয়াতগুলো ওহুদ যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নাজিল হয়েছে। ১৪৫ নম্বর আয়াতে শহীদদের পরিবার-পরিজন ও শুভানুধ্যায়ীদের সান্ত্বনা দিতে মৃত্যুর প্রসঙ্গ আনা হয়েছে। বলা হয়েছে, আল্লাহর অনুমতি ছাড়া কেউই মৃত্যুবরণ করে না। প্রত্যেকের জন্যই মৃত্যুর দিন-ক্ষণ নির্ধারণ করে রাখা হয়েছে।
অর্থাৎ মানুষ মরণশীল। একদিন তাকে মরতেই হবে। মৃত্যুর দিন-ক্ষণ আল্লাহতায়ালা নির্ধারণ করে রেখেছেন। সুতরাং যাঁরা শহীদ হয়েছেন, তাঁদের জন্য দুঃখ করার কোনো কারণ নেই; বরং গর্ব করার কারণ আছে। কেননা তাঁরা সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার জন্য জীবন দিয়েছেন। তাঁদের মর্যাদার স্তর অনেক ওপরে। আল্লাহর কাছে তাঁদের জন্য প্রতিদান রয়েছে। এ প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, যারা পার্থিব ফল প্রত্যাশা করে, তাদের তা-ই দেওয়া হয়। আর যারা পরকালের ফল প্রত্যাশা করে, তাদের তা-ই দেওয়া হয়। আল্লাহতায়ালা আশ্বাস দিচ্ছেন, কৃতজ্ঞদের প্রতিদান অতি সত্বর দেওয়া হবে। অর্থাৎ যাঁরা শহীদ হয়েছেন এবং যাঁদের আপনজনরা শহীদ হয়েছেন, তাঁদের আল্লাহ অতি সত্বর প্রতিদান দেবেন।
১৪৬ নম্বর আয়াতে অতীতের উদাহরণ তুলে ধরে ইতিপূর্বেকার নবী-রাসুল এবং তাঁদের সহচরদের ধৈর্য ও দৃঢ়তার কথা স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে। সেসব সাধক ব্যক্তির চরিত্রের উল্লেখযোগ্য সদ্গুণগুলো এখানে সংক্ষেপে তুলে ধরা হয়েছে_আল্লাহর পথে তাঁরা যখন লড়াই করেছেন, তখন তাঁদের ওপর যত বিপদাপদই এসেছে, তাঁরা হতাশ হননি, তাঁরা অন্যায়-অসত্যের প্রতি দুর্বল হননি এবং মাথাও নত করেননি। এ ধরনের ব্যক্তিই আল্লাহ্র প্রিয়পাত্র। পরকালে তাঁদের জন্য যথোপযুক্ত পুরস্কার রয়েছে। ১৪৭ নম্বর আয়াতে এসব লোক কী বলেন এবং কিভাবে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা জানান, তা ব্যক্ত করা হয়েছে। এ আয়াতে আল্লাহতায়ালার সঙ্গে ইমানদারদের অঙ্গীকার ও মোনাজাতের কথাগুলো সুস্পষ্টভাবে বর্ণনা করা হয়েছে। এর উদ্দেশ্য হলো_আমরাও যেন এ অঙ্গীকারে আবদ্ধ হই।
গ্রন্থনা : মাওলানা হোসেন আলী

No comments: