<< সকল মুসলিম ভাইবোনদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি >>

বিশ্বের সকল মুসলিম ভাইবোনদের প্রতি আমার সালাম রইল। ইসলাম আল্লাহ প্রদত্ত এক মহান ধর্ম। এই ধর্মকে একমাত্র আল্লাহই কেয়ামত পর্যন্ত রক্ষা করবেন এবং সারা বিশ্ব ব্যাপী প্রসারিত করবেন। ইন্টারনেট/ ফেইসবুকের মাধ্যমে সারা দুনিয়ায় কত অসাধ্যকে সম্ভব করা হচ্ছে তার ইয়ত্তা নেই। আমি আমার জন্মস্থান ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া থানার জনবহুল গ্রাম তেলীগ্রামে একটি দৃষ্টি নন্দন মসজিদ এবং রাজনীতিমুক্ত একটি ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করার স্বপ্ন দেখেছি সেই ছোট বেলা থেকেই। আমার এই স্বপ্ন পূরণের জন্য আমি সারা বিশ্বের সকল মুসলিম ভাইদের কাছে সাহায্য প্রার্থনা করছি। আপনারা সকলে যদি সহানুভূতিশীল হয়ে দান করার মানসিকতা নিয়ে এগিয়ে আসেন তাহলে পৃথিবীতে মানবসৃষ্ট শ্রেষ্ট মসজিদও আল্লাহপাকের রহমতে আমরা নির্মান করতে পারবো। দানে বিপদ কাঁটে, দানে সম্মান বাড়ে, দানে সম্পদ বৃদ্ধি পায় আর আখেরাতে উত্তম পুরস্কারতো আছেই। যারা পঞ্চাশ হাজার টাকা বা তার বেশী এককালীন দান করবেন তাঁদের সকলের নাম মসজিদের সামনে বিশেষ গম্বুজে শ্বেত পাথরে খোদাই করে লিখে রাখা হবে। এই মসজিদ আল্লাহপাক যতদিন চালু রাখবেন প্রতি শুক্রবার জুমার নামাজের পর সকল দাতাদের জন্য বিশেষ মোনাজাত করা হবে। যাদের সামর্থ আছে ত‍ারা তাদের সাধ্যমত দান করবেন এবং সকলেই আমার জন্য আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করবেন যেন আমি সততার সাথে আমার স্বপ্নকে পুরন করতে পারি। এই বিষয়ে বিস্তারিত জানানোর জন্য “দানে বিপদ কাঁটে, দানে সম্মান বাড়ে” শিরোনামে একটি আলাদা পেইজ আছে তাতে ক্লিক করুন।

Oct 7, 2010

ভাইভা বোর্ডে নিজেকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করতে হবে

ভাইভা বোর্ডে নিজেকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করতে হবে
জীবনের লক্ষ্যই ছিল ব্যাংকার হওয়া। অদম্য ইচ্ছা আর চেষ্টার ফলে দেরিতে হলেও পূরণ হয়েছে সেই স্বপ্ন।

কিভাবে আবেদন করেছিলেন?
পত্রিকায় বিজ্ঞাপন বেরিয়েছিল। বিজ্ঞাপনে ব্যাংকের নিজস্ব ফরমেট অনুযায়ী দরখাস্তসহ সিভি পাঠাতে হয়েছে। সাধারণত ব্যাংকগুলোতে নিয়োগের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট বিষয়ের উল্লেখ থাকে। আমাদের এই প্রতিষ্ঠানেও আমার ইংরেজি সাবজেক্টটি মিলে যায়। এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আমার ইভিনিং এমবিএ প্রায় শেষের দিকে ছিল। তাই সহজেই দরখাস্ত করতে পেরেছি। নিয়োগ প্রক্রিয়া কেমন ছিল?
শুরুতেই লিখিত পরীক্ষা দিতে হয়েছিল। বিষয় ছিল অংক, ইংরেজি, অ্যানালিটিক্যাল অ্যাবিলিটি, পাজলস, সাধারণ জ্ঞান ইত্যাদি। এক ঘন্টা হয়েছে এমসিকিউ আর এক ঘন্টা লিখিত পরীক্ষা। এরপর মৌখিক পরীক্ষা।

আপনাকেই কেন নিল?
এ ব্যাংকে ভাইভা দেওয়ার আগে আমি একটি বিদেশি ব্যাংকে ইন্টার্নশিপ করেছি। ইন্টার্নশিপ করার সময় কর্পোরেট কালচারের সঙ্গে পরিচিত হয়েছি। কাজ শিখেছি। আত্দবিশ্বাস বেড়েছে। ভাইভা বোর্ডে নিজেকে ঠিকভাবে প্রকাশ করা এবং প্রশ্নকর্তাদের সঠিক
উত্তর প্রদানের জন্যই আমি নির্বাচিত হয়েছি বলে মনে করি।
কোন বিষয়টা আপনার ক্যারিয়ারের ক্ষেত্রে কাজে দিয়েছে?
জীবনে যে যেমন কাজই করুক না কেন, তা একসময় কোনো না কোনো কাজে আসবেই। আত্দবিশ্বাস, ভালো কিছু করার বাসনা, নিজের সম্পর্কে জানা_এসব কিছু আমার ক্যারিয়ারে কাজে দিয়েছে। বিভিন্ন সেমিনার ও সার্টিফিকেট কোর্সে অংশগ্রহণ করেছি।
এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইভিনিং এমবিএর প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা এবং ইন্টার্নশিপ আমার কাজে দিয়েছে।

নতুন যারা এ পেশায় আসতে চায় তারা কি করবে?
নিয়মিত দৈনিক পত্রিকা এবং বাংলাদেশী জবসাইটগুলোতে ব্যাংকের চাকরির খোঁজ রাখতে হবে। দৈনিকগুলোর বাণিজ্য পাতাসহ ব্যাংক সংক্রান্ত খবরগুলো নিয়মিত পড়লে কাজে দেবে। এছাড়াও মাসিক খবরের জন্য কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স পড়লেও কাজে আসবে। বর্তমানে অনেক দৈনিকেই চাকরির সার্কুলার নিয়ে সপ্তাহে একদিন বিশেষ আয়োজন থাকে। এসব নতুন চাকরি প্রার্থীদের জন্য সহায়ক। ইংরেজি ও অংকে ভালো দক্ষতা থাকতে হবে।

আপনাকে কতক্ষণ কাজ করতে হয়?
লেনদেনের সময় যেহেতু ১০টা-৬টা, আমাকেও এ সময় মেনে আট ঘন্টা অফিস করতে হয়। তবে কাজ বেশি থাকলে নির্দিষ্ট সময়ের বাইরেও অফিস করি। সবকিছু নির্ভর করে ব্যাংকের কাজের উপর।
আপনাকে কি কি কাজ করতে হয়?
আমি স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের বোর্ড ডিভিশনের অধীনে বোর্ড অডিটে কাজ করি। বোর্ডের অডিট কমিটির মিটিং সংক্রান্ত সব কাজই করে থাকি। সহায়ক হিসেবে বোর্ডের মিটিং কিংবা ইসি মিটিংয়ে কাজ করি। এছাড়াও ব্যাংকের কিছু অভ্যন্তরীণ কাজও করি।

চাকরির আগের অভিজ্ঞতা
আমি রংপুর কারমাইকেল কলেজ থেকে ইংরেজি সাহিত্যে অনার্সসহ এমএ করেছি। ছাত্র থাকা অবস্থায় ৬-৭ বছর কোচিং সেন্টারে ক্লাস নিয়েছি। প্রাইভেট টিউশন করেছি। বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে সহসংগঠক হিসেবে কাজ করেছি। এ সময় বাসা থেকে কোনো টাকা-পয়সা নিইনি। আত্দনির্ভরশীল হওয়ার জন্যই সব কিছুর সঙ্গে জড়িত থেকেছি। উত্তরবঙ্গের মঙ্গাপীড়িত চর এলাকায় বিভিন্ন সময় ত্রাণ কাজে সহায়তা করেছি। এমএ পাসের পর ঢাকায় এসে এমবিএতে ভর্তি হয়েছি। ঢাকায়
প্রাইভেট টিউশনি করতাম। এমবিএর শেষের দিকে একটি নামকরা বিদেশি ব্যাংকে ইন্টার্নশিপ করার সময় সম্মানি পেতাম।

এখানে বেতন কেমন পাওয়া যায়?
অন্য প্রতিষ্ঠানের তুলনায় ব্যাংকের বেতন যথেষ্ট ভাল। আমি যখন ব্যাংকে দরখাস্ত করি তখন প্রবেশনারি অফিসারদের কনসলিডেটেড বেতন ছিল ১৮ হাজার টাকা। গত বছর নতুন একটি সার্কুলার হয়েছে, সে অনুযায়ী প্রবেশনারি অফিসারদের কনসলিডেটেড বেতন ২০ হাজার টাকা।

No comments: